‘চিকিৎসকের পায়ে ধরেও অ’ন্তঃ’স’ত্ত্বা স্ত্রী’কে বাঁ’চাতে পারিনি’

চট্টগ্রামের সী’তা’কু’ণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটের বাসিন্দা তৌ’হিদুল আনোয়ার। ম’ঙ্গল’বার রাতে শ্বা’সক’ষ্টে আ’ক্রান্ত অ’ন্তঃ’স’ত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে দুই হাসপাতাল ঘুরে, চিকিৎসকের পায়ে ধ’রেও পান’নি আই’সিইউ। শেষ রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃ’ত্যু হয় তার স্ত্রী’র।

তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, পাঁ’চ’দিন ধরে শ্বা’স’ক’ষ্টে ভুগ’ছিল আমার স্ত্রী। মঙ্গলবার সকালে তাকে মা ও শিশু

হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নি’রী’ক্ষাও করা হয়। প্র’চ’ণ্ড শ্বা’স’ক’ষ্ট থাকায় তাকে আইসিইউতে রাখতে চিকিৎসকের পা’য়ে ধরেছি। বলেছি এক ঘণ্টা’র জন্য হলেও আ’ইসিই’উতে রা’খতে। তারা আইসিইউ না দিয়ে বি’কেলে চমেক হাসপাতালে নেয়া’র পরামর্শ দেন।

তিনি আ’রো বলেন, চমেক হাসপাতালে নে’য়ার পর জ’রুরি বিভাগ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ঘুরে আমার স্ত্রী’কে করো’না

ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে অ’ক্সি’জেন সাপোর্ট দেয়া হলেও পা’ইনি আ’ইসিই’উ। রাত পৌ’নে চা’রটার দিকে তার মৃ’ত্যু হয়।

তৌহিদুল আরো বলেন, আগের দুই সন্তা’ন জ’ন্মের সময়ও আমার স্ত্রী শ্বা’স’ক’ষ্ট হয়েছিল। তারা অকালে মা’কে হারা’ল। আমি চাই না তাদের মতো আর কোনো সন্তান মা হারা হো’ক।

চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আফতাবুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি রোগীর মৃ’ত্যু’ই আমাদের জন্য বেদনার। আমরা চাই না বিনা চিকিৎসায় কারো মৃ’ত্যু হোক। আইসিইউ খালি না

থাকায় চাইলেও অনেককে আইসিইউ সু’বিধা দেয়া যাচ্ছে না। আমাদের আরো আইসিইউ প্রয়োজন।

Sharing is caring!