করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৪৮০, মোট শনাক্ত ৩৩৬১০

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৮০ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৫৩২ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬১০ জনে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ হাজার ১৮৪টি, পরীক্ষা করা হয়েছে আট হাজার ৯০৮টি নমুনা। এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪১৫ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৯০১ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২৫৩ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন চার হাজার ৪৪৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৯৪ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ১৬৩ জন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে তিন হাজার ৬৩ জনকে। এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন তিন হাজার ৮৭ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন দুই লাখ ৮ হাজার ৩৪৬ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৫ হাজার ১৫৩ জন।

ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে বেশিরভাগ দেশই ভাইরাসটিতে তেমন পাত্তা দেয়নি। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।

ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। পঞ্চম দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। তার আগেই আরেক দফা ছুটি বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়। চলমান এ ছুটি আরেক দফা বাড়ি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার (২০ মে) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৫৪ লাখ ৮ হাজার ১৮৭ জনের শরীরে। এছাড়া এতে মারা গেছেন ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪১ জন। অন্যদিকে ভাইরাসমুক্ত হয়েছেন ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০৬ জন।

Sharing is caring!