বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত ১১

বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়ছেই। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনায় মারা গেছেন ১১ জন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩৯ জনে। এদিন সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে ১০৩৪ জন।

করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে সোমবার (১১ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহানে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হলেও তা মূলত প্রকাশ্যে আসে জানুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারিতে চীনে যখন এটি ভয়াবহ রূপ নেয়, তখন ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে। সবাই প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া শুরু করে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিদেশ ফেরতদের ক্ষেত্রে স্ক্রিনিংসহ নানা পদক্ষেপ নেয়।

তবে এত কিছুর পরও ৮ মার্চ দেশে প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম ভাইরাসটির সংক্রমণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর ক্রমেই বাড়তে থাকে এর প্রাদুর্ভাব। এপ্রিলে এসে ভাইরাসটি যেন মারাত্মক রূপ ধারণ করে। যার ফলশ্রুতিতে মৃতের সংখ্যা পেরিয়ে যায় দুই’শ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশ যখন এর করাল গ্রাসে দিশেহারা তখন অনেকটাই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিল চীন। অনেকদিন ধরে সেখানে মৃত্যুর তথ্যও পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল উহানে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি অনেকদিন। কিন্তু রোববার (১০ মে) সেখানে আবার নতুন করে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন।

এছাড়া ভাইরাস দমনে অনেকটাই সফল জার্মানি লকডাউন শিথিল করে বিপাকে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত লকডাউন শিথিল করার পর থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। এরপর থেকে বারবার ঘুরে ঘুরে বিশেষজ্ঞদের সতর্ক বাণী সামনে আসছে। তারা বলেছিলেন, ভাইরাসের ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক যতদিন বাজারে না আসবে ততদিন লকডাউনই একমাত্র ভরাস।

এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসটিতে সংক্রণের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ৪১ লাখ ৮১ হাজার ২১৮ জনের শরীরে। এছাড়া এতে মারা গেছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জনের শরীরে।

ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯২ জন।

Sharing is caring!