অর্ধেক মুক্তিপণ পেয়ে শিশুকে নদীতে ফেলে দিল অপহরণকারীরা

লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী থেকে অপহৃত নারী-শিশুসহ ১১ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা ভোলা জেলার যাত্রী ও একই পরিবারের সদস্য। কয়েকজন অপহরণকারী চিহ্নিত হলেও শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

এ দিকে ওই যাত্রীদের আটকে রেখে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এরমধ্যে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেয়া হয়। এরপরও অপহরণকারীরা হত্যার উদ্দেশে এক শিশুকে নদীতে ফেলে দেয়।

পুলিশ জানায়, ভোলার বাসিন্দা রুহুল আমিন সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করেন। তার বাবার মৃত্যুর খবরে লক্ষ্মীপুর হয়ে ভোলা যাওয়ার উদ্দেশে তারা মজুচৌধুরীররহাট আসেন। কিন্তু ঘাটে কোনো নৌকা না পেয়ে ভোলায় যোগাযোগ করে একটি ট্রলার মজুচৌধুরীরহাট ঘাটে নিয়ে আসেন।

পরে ট্রলারযোগে ভোলা যাওয়ার পথে মাঝনদী থেকে তাদের একদল লোক অপহরণ করে। এ সময় তাদের মারধরও করা হয়। একপর্যায়ে অহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে ২০ হাজার টাকার দাবি করে। এরমধ্যে ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে দেয়া হয়। বাকি টাকা দিতে না পারায় লামিয়া নামে এক শিশুকে হত্যার উদ্দেশে নদীতে ফেলে দেয় অপহরণকারীরা।

অপহৃত রুহুল আমিন স্থানীয়দের সহযোগিতায় চার অপহরণকারীকে শনাক্ত করে সাতজনের বিরুদ্ধে নৌপুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

মজুচৌধুরীরহাট ঘাটের নৌপুলিশের ইনচার্জ অচিন্ত কুমার দে বলেন, টহলরত অবস্থায় খবর পেয়ে অপহৃতদের উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণকারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপহরণকারী ৭ জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!