করোনাকালে দ্বিগুন ডেঙ্গু রোগী, তথ্য নেই চিকঙ্গুনিয়ার!

করোনা মহামারির মধ্যেই আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। গতবছরের এ সময়ের চেয়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখনই দ্বিগুন। আর চিকনগুনিয়া রোগীর কোনো তথ্যই নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।সিটি করপোরেশন বলছে, জনগণ সচেতন না হলে তাদের একার পক্ষে এডিস মশা নিধন সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছরের বাজে অভিজ্ঞতায় সিটি করপোরেশন এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেনি। আর তাদের এই সমন্বয়হীনতায় ভয়াবহ পরিণতির শঙ্কা বাড়ছে।

করোনায় চিকিৎসায় দেশের হাসপাতালগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে ঠিক তখন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা চিকনগুনিয়া নিয়েও।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত বছরের এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭৫, বর্তমানে যার সংখ্যা ৩০৫ জন। এর মধ্যে ২৩৮ জনই ঢাকার। তারপরও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। সাধারণ মানুষ সিটি করপোরেশনের গাফিলতিকে দায়ী করলেও সিটি করপোরেশন এবারও দেখছে সচেতনতার অভাবকে।নাগরিকদের ভাষ্য, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যবসা করি। কোনো তৎপরতা চোখে দেখিনি। হটাৎ এসে কামান দাগিয়ে চলে যায়।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যার সঙ্গে একমত নয় সিটি করপোরশন। তারা বলছে, একার পক্ষে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার. জেনারেল মো. শরীফ আহমেদ বলেন, সারাদেশে আজ ৮ জন পাওয়া গেছে। তাহলে এটা বেশি বেড়েছে কীভাবে বললেন?

তাহলে এবারও কি গতবারের চেয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে?নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, তেমন কোনো প্রচার প্রচারণাও আমরা দেখছি না। জরিমানা কার্যকরের মাধ্যমে জনগণকে সতর্ক করার কার্যকলাপও তেমন উল্লেখ করার মতো নয়। যদিও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত চিকনগুনিয়া আক্রান্তের কোনো তথ্যই নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে। গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি হিসাবে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়।

Sharing is caring!