গার্মেন্টস কর্মীদের বড় সুখবর দিলেন কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী

ঈদের আগেই শতভাগ বেতন পাবেন ক’র্মস্থলে উপস্থিত পোশাক শ্রমিকরা। যারা কাজে যোগ দিতে পারেননি তারাও পাবেন ৬৫ শতাংশ।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীর বেতনের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। বিশেষ এ তহবিল থেকে ঋণ চেয়ে ২ হাজার ৪৪টি শিল্প কারখানা আবেদন করেছে। ৪৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের বেতন দিতে ৩ হাজার ৪৭ কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে।

সোমবার (৪ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ইতোমধ্যে ঋণ আবেদনের বিপরীতে ২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে শ্রম ও ক’র্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধা’ন্ত হয়।

জানা গেছে, এ তহবিল থেকে ঋণের জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল গত ২ মে। ওই সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক তাদের ঋণের চাহিদা বাংলাদেশ ব্যাংকে ৩ মে মধ্যে পাঠিয়েছে।

এর আগে সরকারের নির্দেশনায় ২ এপ্রিল করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করে সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, ৫০০০ টাকার বিশেষ প্যাকেজ থেকে ঋণ পাবে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে এমন সচল প্রতিষ্ঠান। ঋণের অর্থ দিয়ে কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। সুদবিহীন এ ঋণে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ নিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এর আগে এপ্রিলের মজুরি শ্রমিকরা ৬০ শতাংশ মজুরি পাবেন- সরকার মালিক-শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধা’ন্ত নেয়া হয়েছিল। কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের এ বেতন বৃ’দ্ধির দাবীর প্রেক্ষিতে নতুন করে আরো ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশ করা হয়। এপ্রিলের মজুরির হিসাব চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় বর্ধিত মজুরির ৫ শতাংশ শ্রমিকরা মে মাসের মজুরি স’ঙ্গে পাবেন।

সভায় সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী সংসদ সদস্য শাহ’জাহান খান, সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, বিকেএমইএর সভাপতি এবং সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম, তৈরি পোশাক খাতের শী’র্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক।

Sharing is caring!