ব্রেকিং নিউজঃতাহলে কি ২১ জুন পৃথিবী ধ্বংস হবে!

চলতি ২০২০ সাল মানব সভ্যতার ইতিহাসে বড় একটি ফোঁড়া হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাসের মহামারি, বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্যের কারণে সৃষ্টি হয়েছে নৈরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপিন্সে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এর মধ্যেই আরেকটি বিপদের সংবাদ নিয়ে এলো মায়া সভ্যতার তৈরি ক্যালেন্ডার। এর একটি ব্যাখ্যা বলছে, ২০২০ সালের ২১ জুন (রোববার) ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী।

বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা হয় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। ইসলামিক ও জুলিয়ান ক্যালেন্ডারও অনেকে অনুসরণ করেন। মায়া ক্যালেন্ডারও গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের মতোই।

এটি তৈরি করেছিল মায়া সভ্যতার মানুষ। এই সভ্যতার বসবাস ছিল মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে। যেখানে বর্তমানে মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, বেলিজ, হুন্ডোরাস ও এল-সালভাদরের অবস্থান।

ওই অঞ্চলে ইউরোপীয়রা কর্তৃত্ব স্থাপনের পর মায়া সভ্যতার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংস করে দেয়। ১৯৯০ সালের দিকে প্রত্নতত্ত্ববিদরা মায়া সভ্যতার অস্তিত্ব খুঁজে পান। সে সময় তারা এই সভ্যতার উদ্ভাবিত একটি ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করেন।

এই ক্যালেন্ডার গ্রেগরিয়ান কিংবা ইসলামিক ক্যালেন্ডারের মতো চাঁদ ও সুর্যের প্রদক্ষিণের ওপর নির্ভরশীল না। তাদের তিনটি ভিন্ন ক্যালেন্ডার ছিল, যা আলাদা বার্তা দিতো।

এর মধ্যে একটি ক্যালেন্ডারে পৃথিবীর ধ্বংস হয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি নজর কাড়ে অনেকের। এর আগে অনেকে এই ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে বলেছিলেন, পৃথিবী ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ধ্বংস হবে। সে সময় এই সৌর জগতের এই গ্রহ পাঁচ হাজার ১২৬ বছরের একটি পরিক্রমা অতিক্রম করবে।

তাদের এই ভবিষ্যৎ বাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে এক গবেষক সে হিসাব নতুন করে প্রকাশ করে আলোচনার সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলছেন, ক্যালেন্ডারের সঠিক হিসাব অনুযায়ী চলতি জুন মাসেই ধ্বংস হবে পৃথিবী।

ওই গবেষকের নাম পাওলো তাগালোগুন। তিনি বিতর্কিত থিওরি বিশেষজ্ঞ। মায়া ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে তিনি গত সপ্তাহে বেশ কয়েকটি টুইট করেছেন।

তিনি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মায়া ক্যালেন্ডারের তুলনা করে এসব কথা বলছেন।

তিনি বলেন, যদি আমরা জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করি, তাহলে এখন ২০১২ সাল চলছে। কারণ আন্তর্জাতিকভাবে যখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে সব হিসাব স্থানান্তরিত হলো, তখন ১১ দিন হারিয়ে গিয়েছিল। সে ১৭৫২ থেকে শুরু করে ২০২০ পর্যন্ত এ রকম ৩ হাজার দিন হারিয়ে গেছে। যা আট বছরের সমান।

Sharing is caring!