খালি পেটে লিচু খেয়ে ৬০ শিশুর মৃ’ত্যু

এই মৌসুমের বাহারি সব ফলের মধ্যে লিচু অন্যতম একটি ফল। এর স্বাদের জন্যই মূলত গরমে এই ফলের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। লিচুতে পানির পরিমান থাকে প্রায় ৮০ ভাগ। তাই তীব্র গরমে পানির চাহিদা পূরণে লিচুর তুলনা হয় না।কিন্তু সুস্বাদু আর মুখরোচক ফলটি খেয়ে শি’শুমৃ’ত্যুর ঘ’টনা শোনা যাচ্ছে গত কয়েক বছর ধরেই। বাংলাদেশে এই মৃ’ত্যুর হার খুব বেশি না হলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এই ফল খাওয়ার ফলে শিশু মৃ’ত্যুর হার ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে।

গত ৭ দিনে ভারতের কিছু জায়গায় লিচু খাওয়ার পর অন্তত ৬০ জন শিশুর মৃ’ত্যু ঘ’টেছে। দেশটির বিহার প্রদেশে মৃ’ত্যু হওয়া এসব শিশুর অধিকাংশের বয়স ১০ বছরের নিচে। ১৯৯৪ সালে ২০২০ সালের মধ্যে এ ফল খেয়ে রহস্যজনকভাবে অ’সুস্থ হয়ে মৃ’ত্যু হয় কমপক্ষে ২৭০০ জন শিশুর।শুধু ভারতেই নয়, লিচু খেয়ে শিশু মৃ’ত্যুর ঘ’টনা ঘ’টেছে এ আমাদের দেশেও। ২০১২ সালে দিনাজপুরে ১৩ শিশুর মৃ’ত্যু ঘটেছিল লিচু খাওয়ার ফলে। ২০১৫ সালেও একই কারণে একই জেলাতেই ১১ শিশুর মৃ’ত্যু ঘটে। এইসব মৃ’ত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এই ফলটি শিশুর অভিভাবকদের কাছে একটি ভী’তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাছাড়াও গতবছর ১০ দিনে ভারতের উত্তরাঞ্চলে লিচু খাওয়ার পর অন্তত ১০৩ জন শিশুর মৃ’ত্যুর ঘ’টনা ঘ’টেছিল। বিশেষজ্ঞরা জানান, হা’ইপোগ্লা’ইসিনের নামের বি’ষাক্ত প’দার্থ এবং লিচুতে অ’তিরিক্ত কী’টনাশক ব্যবহারের ফলে বাচ্চারা মা’রাত্মক হা’ইপোগ্লা’ইসেমিয়ায় ভোগে, কখনো ‘চুনি ওঠে অথবা হা’ইপোগ্লা’ইসিনের কারণে তারা মারা যায়। এটা মূলত উত্তর ভারতের দিকেই হয়, যেখানে অ’ভাবের কারণে বাচ্চারা একবেলা না খেয়ে থাকে, আর লিচু সেখানে খুবই স’স্তা বলে রাতের খাবারের পরিবর্তে তারা লিচু খায়।

বি’শেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন শিশুদেরকে অবশ্যই রাতের খাবার ঠিকমত খেতে হবে এবং লিচু থাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। এ বিষয়ে বাবা-মাদেরকে অবশ্যই স’চেতন হতে হবে।

Sharing is caring!