মাত্র ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ করে নির্মাণ করুন মজবুত ও টেকসই বাড়ী

নতুন প্রযুক্তির বাড়ি নির্মাণ উপকরণ নিয়ে এসেছে অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড। তাপ নিরোধক,পরিবেশবান্ধব, হাল্কা,দ্রুত স্থাপনযোগ্য এক্সপ্যান্ডেড পলিস্টিরিন স্যান্ডউইচ (ইপিএস) প্যানেল ব্যবহার করে বানানো যাবে ঘর।যার মাধ্যমে ৪ জন শ্র’মিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পরিশ্রমেই একতলা বাড়ি নির্মাণ করতে পারে। প্রকারভেদে খরচ পড়বে ৭ লাখ টাকা থেকে ১১ লাখ টাকা পর্যন্ত।জানা যায়,পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় তাপ নিরোধক এই ইপিএস শিট দিয়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টায় একটি বাড়ি নির্মাণ করা যাবে।এতে প্রতিবছর প্রায় ৬০ লাখ এসএফটি শিট ও ৫ লাখ বর্গফুট এক্সপ্যান্ডেড পলিস্টিরিন স্যান্ডউইচ (ইপিএস) প্যানেল তৈরি করে। ২০১৩ সাল থেকে কোম্পানিটি বিভিন্ন ধরনের শিল্পস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ করছে।ভবন তৈরির সময় প্যানেল টু প্যানেল হুকিং সিস্টেমে লাগানো হয়। ফলে এটি সহ’জে প্রতিস্থাপনযোগ্য। ইউরোপ থেকে আম’দানিকৃত কাঁচামালের মাধ্যমে ইপিএস প্যানেল তৈরি করা হয়।ইপিএস প্যানেল টিনের বিকল্প হওয়া এতে জং ধ’রার কোনো শ’ঙ্কা নেই।

এ প্রসঙ্গে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এস এম রিফাত রেজা হোসেন পরিবর্তন ডট’কমকে বলেন, টিনের পরিপূরক হিসাবে আম’রা দেশে এসএফটি ইপিএস প্যানেল নিয়ে এসেছি। এ উপকরণটি ব্যবহারের ফলে বাইরে থেকে ঘরে তাপ প্রবেশ করতে পারে না, একইভাবে ঘর থেকেও তা বের হতে পারে না।যেহেতু ঘর তাপ প্রবেশ করতে পারে না।ফলে ঘর থাকবে এসির মতো ঠাণ্ডা। বাংলাদেশে এখন বছরের ৯ মাসেই গরম আবহাওয়া বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে এ প্রযুক্তিটি দেশের প্রত্যেক শ্রেণীপেশার মানুষের উপকারে আসবে।তিনি বলেন, ২০১৩ সালের শেষ দিক থেকে আম’রা ইপিএস প্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করি। এরই মধ্যে আম’রা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আম’রা আবাসিক ভবন তৈরির কাজ শুরু করবরিফাত রেজা বলেন, আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে বহুতল বিল্ডিং তৈরি সম্ভব। যেহেতু ইপিএস শিটের ওজন ৭৫০ গ্রাম (প্রতি বর্গফুট)। ফলে বাড়ি মালিক ইচ্ছে করলেই বাড়িটি খুলে নতুন জায়গায় পুনঃনির্মাণ করতে পারবে।এদিকে কোম্পানিটির ভবি’ষ্যৎ পরিকল্পনা স’ম্পর্কে তিনি বলেন, ব’ন্যাকবলিত আমাদের এ দেশে ইপিএস প্যানেলের মাধ্যমে ভাসমান বাড়ি ও জমি তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য।এতে করে কৃষক তার ঘর ও ফসলি জমি উভ’য় নিরাপদ রাখতে পারবে।দেশের বাজারে প্রতি এসএফটি ইপিএস শিট পাওয়া যাবে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় । এই প্যানেল ব্যবহার করে একটি এক কক্ষের বাসা (ডাইনিং, কিচেনসহ) নির্মাণে ব্যয় হবে মাত্র দেড় লাখ টাকা।

আর দুই বেডরুমের হলে দুই লাখ ৩০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হবে।গ্রামে বাড়ি নির্মাণে টিন-ইটের চেয়ে এই পদ্ধতিতে অল্প খরচ হবে। ইপিএসের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় পেট্রোলিয়ামের বাই প্রোডাক্ট, যা দেখতে মলাসসের মতো।এই বাই প্রেডাক্টটিকে পলিমা’রাইজেশনের মাধ্যমে ছোট দানায় রূপান্তর করা হয়, যাকে রসায়নের ভাষায় স্ট্রাইরিন মনোমা’র বলা হয়। ছোট ছোট চিনির দানার মতো দেখতে এগুলো ইউরোপ ও উন্নত দেশ থেকে আম’দানি করা হয়।এই দানাগুলোকে উচ্চপ্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি সলিড বডি বা ব্লক বানানো হয়, যার ৯৫ শতাংশই বাতাস এবং ৫ শতাংশ স্ট্রাইরিন মনোমা’র।ওজন কম হওয়ায় এ ধরনের স্থাপনায় ভূমিকম্পের ক্ষ’তি অনেকাংশেই কম হবে। ভবনে লাগানোর সময় প্যানেল টু প্যানেল হুকিং সিস্টেমে লাগানো হয়। এটি যেহেতু হাল্কা তাই এর জন্য কলাম, ফুটিং, ছাদ, লোড বিয়ারিং কিছুই দরকার পড়ে না ।প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এস এম আনোয়ার হোসেন বলেন, `আমাদের প্লান্টে চাহিদা অনুযায়ী ভবি’ষ্যতে আরো উৎপাদন বাড়াব। আমাদের মতো স্বল্প আয়ের দেশে এটি খুবই উপযোগী নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে মনে করি আমি।প্রকল্পে প্রতিনিয়ত বিনিয়োগ বাড়ছে জানিয়ে দেশের আবাসন শিল্পের এই শীর্ষ উদ্যোক্তা বলেন, ‘‘গ্রামের মানুষের জন্য অল্প খরচে বাড়ি বানানোর জন্য আম’রা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে আসছি।আম’রা আশা করছি, আমাদের এই স্যান্ডউইচ প্যানেল গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে আধুনিক শিল্পায়ন-সর্বত্রই ব্যবহৃত হবে।নির্মাণ জগতে নতুন যুগের সূচনা করবে।’’অফিস এর ঠিকানা: ১৭৬,গুলশান অ্যাভেন্যু, গুলশান-২ (নর্থ),বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের মা’র্কেটিং টিম এর সাথে ৯৮৮৪৭৪৫,০১৮৩৩৩১১০১২-১৬

Sharing is caring!