এইমাত্র পাওয়াঃ ঢাকা নারায়ণগঞ্জ এর পরে যে জেলায় আজ ১ হাজার করোনা আক্রান্ত ছাড়ালো।

নরসিংদীতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ৬৬ দিনের মাথায় জেলাজুড়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা হাজার ছাড়াল। সরকারি হিসাবে জেলার ছয় উপজেলা মিলিয়ে এখন মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩১ জন। আজ রোববার সকালে প্রথম আলোর কাছে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

গত ৭ এপ্রিল জেলায় প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। এর ৫৩ দিনের মাথায় ৩০ মে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছাড়ায় ৫০০। এর পরের ৫০০ ব্যক্তি সংক্রমিত হতে সময় লেগেছে মাত্র ১৩ দিন। অর্থাৎ চার ভাগের এক ভাগ সময়ে পরবর্তী ৫০০ অতিক্রম করল। তবে সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৫০ জন।

নরসিংদীর সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, ৭ জুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে মোট ১০৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরদিন পরীক্ষার জন্য রাজধানীর মহাখালীর ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথে পাঠানো হয়। এসব নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের তালিকা গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে এসেছে। ওই তালিকায় নতুন করে আরও ৪১ জনকে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। নতুন করে শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলার ২৩ জন, পলাশ উপজেলার ৭ জন, মনোহরদী উপজেলার ৬ জন ও শিবপুর উপজেলার ৫ জন রয়েছেন। নতুন করে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও সংস্পর্শে আসা লোকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে তাঁদের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতেও বাধ্য করা হচ্ছে।

Lifebuoy Soap
জেলা করোনা প্রতিরোধ জরুরি সেল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত জেলার ছয়টি উপজেলা থেকে মোট ৫ হাজার ৫৬০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা শেষে ৪ হাজার ৮৩৮ জনের নমুনার ফল পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৩১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। জেলাজুড়ে সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৭১৫ জন, রায়পুরায় ৬৫ জন, পলাশে ৯১ জন, শিবপুরে ৭২ জন, বেলাবতে ৫৪ জন ও মনোহরদীতে ৩৪ জন রয়েছেন। বর্তমানে ৪০ জন আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন হাসপাতালে এবং ৬২৬ জন হোম আইসোলেশনে আছেন।

শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫ জন মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে সদর উপজেলার নয়জন, বেলাব উপজেলায় দুজন, রায়পুরা উপজেলার দুজন, পলাশ উপজেলায় একজন ও মনোহরদী উপজেলায় একজন রয়েছেন। অন্যদিকে উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও অন্তত ২৭ জন।

Sharing is caring!