রূপ বদলে ভয়ঙ্কর হচ্ছে করোনা: নতুন গবেষণা

গত ডিসেম্বরে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিভিন্নভাবে অভিযোজিত (মিউটেশন) হয়েছে মরণঘাতী করোনাভাইরাস। এর কারণে ভাইরাসটি ধারণ করেছে আরো ভয়ঙ্কর রূপ। ফলে ধারণার চেয়েও বেশি সংক্রমণ ঘটিয়েছে। এসব দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার স্ক্রিপস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষকরা।

তারা বলছেন, এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না যে, এই মিউটেশনের কারণে ভাইরাসটি কতটুকু মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ল্যাব টেস্টে আমরা দেখেছি, যেসব ভাইরাসে মিউটেশন হয়েছে তারা মানব কোষে উচ্চমাত্রায় সংক্রমণ ঘটায়। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের সংক্রমণগুলো পর্যালোচনা করলেই এ বিষয়ে বিস্তর জানা যাবে।

নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে জানা যায়, করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই গবেষকরা এর মিউটেশন নিয়ে বেশ শঙ্কায় আছেন।

ফ্লোরিডার স্ক্রিপস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের মিউটেশন হচ্ছে এর স্পাইক। এই স্পাইক বা কাঁটার মতো অংশের কারণেই ভাইরাসটি সংক্রমণ ঘটায়। এই অংশে মিউটেশনের কারণে এটি মানব কোষে খুব সহজে প্রবেশ করতে পারে।

এই প্রসঙ্গে গবেষণা দলে নেতৃত্ব দেয়া ভাইরোলজিস্ট মাইকেল ফারজান বলেন, স্পাইকে থাকা প্রোটিনের কারণেই ভাইরাসটি সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এদের মধ্যে আবার মিউটেডেট ভাইরাসের স্পাইকে থাকা প্রোটিন আরো বেশি আক্রমণাত্মক আচরণ করে।

তিনি বলেন, আমরা গবেষণায় দেখেছি, মিউটেডেড করোনাভাইরাসে স্পাইকের সংখ্যা অনেক বেশি। যার কারণে এটি বেশি সংক্রমণ ঘটায়।

গবেষণায় অংশ নেওয়া দেয়া আরেক ভাইরোলজিস্ট হায়রেয়ুন চোয় বলেন, এই অভিযোজিত করোনাভাইরাস কোষ প্রক্রিয়াকে বোকা বানিয়ে সংক্রমণ ঘটায়। কোনো বাধা তৈরি করতে পারে না।

Sharing is caring!