প্রবাসীদের জন্যে দারুণ সুখবর

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার( ১২ জুন) দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় তিনি একথা জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের অনুরোধে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে তারা রাজি হয়েছে দেশগুলো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন নাহিয়ানের সঙ্গে কথা হয়েছে। শুধু প্রবাসীদের জন্যে পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে। কেউ বলেছিলেন বিমানের টিকেট অগ্রিম কিনেছেন আবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ভিসার মেয়াদ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সব রাষ্ট্রের সাথে কথা হয়েছে। তারা বলেছে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে দেবে। সেইসঙ্গে বিমানের টিকিট কিনে থাকলেও সেগুলোর ব্যবস্থা করা হবে।

আরও নিউজ পড়ুন

মাসিক ৯০০ টাকা কিস্তিতে ২০ বছর মেয়াদি বাড়ি নির্মাণের জন্য ঋন নিবেন যেভাবে

আবাসন খাতে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি)। সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সরল সুদে এই ঋণ নিয়ে পরিশোধ করা যাবে সর্বোচ্চ ২০ বছরে। প্রবাসীরা সর্বোচ্চ ২৫ বছর মেয়াদের জন্য এই ঋণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

এখানে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সরল সুদে মানে ঋণ গ্রহিতাকে প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি দিতে হবে সর্বনিম্ন মাত্র ৯০০ টাকা। বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে (http://www.bhbfc.gov.bd/) এমন তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে।

কর্পোরশনের উপ মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম জানান, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে। নগর এলাকায় যারা জমি বা প্লট কিনতে চান তাদের জন্য ‘নগর বন্ধু’, জেলা পর্যায়ে যারা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য

‘পল্লীমা’, দেশের বাইরে থাকা যেসব প্রবাসীরা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য ‘প্রবাস বন্ধু’, যারা নিজেদের স্থাপনা আরো ভালো করতে চান তাদের জন্য ‘আবাসন উন্নয়ন’ আর সবশেষে যারা নিজেদের স্থাপনা মেরামত করতে চান তাদের জন্য ‘আবাসন মেরামত’ নামের পাঁচটি প্যাকেজ রয়েছে।

এসব প্যাকেজের প্রতিটির ৫ বছর মেয়াদী ঋণের জন্য প্রতি এক লাখ টাকায় মাসে দুই হাজার ৭৬ টাকা, ১০ বছরে মাসিক ১ হাজার ২৬৮ টাকা, ১৫ বছরের জন্য মাসিক ১ হাজার ১৪ টাকা আর ২০ বছরের জন্য প্রতি মাসে কিস্তি আসবে সর্বনিম্ন ৯০০ টাকা।

খায়রুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যেটি আর্থিক খাতে ঋণ দেয়। আমরা এক সংখ্যার অংকে সরল সুদে ঋণ দিয়ে থাকি। মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ আর জমির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আমরা ঋণ দিয়ে থাকি।

Sharing is caring!